❓প্রশ্ন: অনলাইন সোশাল মিডিয়া ব্যাবহার করা কি জায়েয?
✍️উত্তর:….بسم الله الرحمن الرحيم….
অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়া তথা ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রামে, টিকটক ইত্যাদি ব্যবহার করা মূলত একটি প্রচার মাধ্যম বা টুলের মতো। এটি নিজস্বভাবে সম্পূর্ণ হারাম বা ঢালাওভাবে না-জায়েয নয়।
ইসলামের একটি সাধারণ নীতি হলো—”মূলত সব জিনিসই হালাল, যতক্ষণ না তা হারামের অন্তর্ভুক্ত হয়।”
আল্লাহ তায়ালা বলেন,
هُوَ الَّذِي خَلَقَ لَكُم مَّا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا
অর্থ, “তিনিই সেই সত্তা, যিনি পৃথিবীর সবকিছু তোমাদের (উপকার ও ব্যবহারের) জন্য সৃষ্টি করেছেন।” (সূরা বাকারা, আয়াত: ২৯)
ব্যাখ্যা: আল্লাহ তাআলা পৃথিবীর সবকিছু মানুষের জন্য সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং, কোনো নির্দিষ্ট বিষয় হারাম হওয়ার স্পষ্ট দলীল না থাকা পর্যন্ত তা মানুষের জন্য ব্যবহার করা বৈধ।
রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন:
”الحلال ما أحل الله في كتابه، والحرام ما حرم الله في كتابه، وما سكت عنه فهو مما عفا عنه”
অর্থ, “হালাল হলো তা, যা আল্লাহ তাঁর কিতাবে হালাল করেছেন। আর হারাম হলো তা, যা আল্লাহ তাঁর কিতাবে হারাম করেছেন। আর যে বিষয়ে তিনি নীরব থেকেছেন (হারাম বা হালাল স্পষ্ট করেননি), তা তিনি ক্ষমা/উপেক্ষা করেছেন (অর্থাৎ তা তোমাদের জন্য অনুজ্ঞাত বা হালাল)।”
-(সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ১৭২৬; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং: ৩৩৬৭)
ইমাম সুয়ূতী (রহ:) লিখেন,
الأَصْلُ فِي الْأَشْيَاءِ الْإِبَاحَةُ حَتَّى يَدُلَّ الدَّلِيلُ عَلَى التَّحْرِيمِ (الْقَاعِدَةُ الْخَامِسَةُ)
অর্থ, মূলত সকল বস্তুর (বা বিষয়ের) মূল বিধান হলো তা হালাল তথা বৈধ, যতক্ষণ না তা হারাম তথা নিষিদ্ধ হওয়ার পক্ষে কোনো দলীল প্রমাণ পাওয়া যায়। -(আল আশবাহ ওয়ান নাযায়ির)
তাই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করা জায়েয নাকি নাজায়েয, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে এটি কী উদ্দেশ্যে এবং কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে তার উপর।
ইসলামী শরীয়তের আলোকে এর ব্যবহারকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:
১. যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা জায়েয ও সওয়াবের কাজ:
দ্বীন প্রচার: কুরআন, হাদীস ও সঠিক ইসলামী জ্ঞান মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
যোগাযোগ ও আত্মীয়তা রক্ষা: দূর-দূরান্তে থাকা আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের সাথে সুসম্পর্ক রাখা।
জ্ঞান ও তথ্য আদান-প্রদান: শিক্ষণীয় বিষয়, ভালো খবর এবং প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ার করা।
হালাল ব্যবসা ও উম্মাহর কল্যাণ: সততার সাথে ই-কমার্স বা অনলাইন ব্যবসা করা এবং মানুষের উপকারে আসে এমন সামাজিক কাজ করা।
২. যেসব কারণে এটি নাজায়েয বা হারাম হয়ে যায়:
গুনাহের কাজে লিপ্ত হওয়া: পরনারী বা পরপুরুষের বেপর্দা ছবি-ভিডিও দেখা, মিউজিক বা বাদ্যযন্ত্র শোনা এবং অশ্লীলতা ছড়ানো হারাম।
সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করার সময় হুট করে সামনে আসা অশ্লীল চিত্র থেকে চোখ ফিরিয়ে নেওয়া এবং তা এড়িয়ে চলা ফরয।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, “মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত করে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। এটাই তাদের জন্য অধিক পবিত্র। নিশ্চয়ই তারা যা করে আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবহিত।” -(সূরা আন-নূর, আয়াত: ৩০)
ডিজিটাল স্ক্রিনে কোনো নারীর নগ্ন বা অর্ধনগ্ন ছবি-ভিডিও দেখা চোখের যিনা, যা হাদীসে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন:
“চোখের যিনা হলো (নিষিদ্ধ জিনিসের দিকে) তাকানো, কানের যিনা হলো (নাচ-গান বা মন্দ কথা) শোনা, জিহ্বার যিনা হলো কথা বলা, হাতের যিনা হলো স্পর্শ করা, পায়ের যিনা হলো (গুনাহের দিকে) হেঁটে যাওয়া এবং অন্তরের যিনা হলো আকাঙ্ক্ষা ও কামনা করা। পরিশেষে লজ্জাস্থান তা সত্যে বা মিথ্যায় পরিণত করে।” (সহীহ মুসলিম, হাদীস: ২৬৫৭)
সোশ্যাল মিডিয়ায় আইডি খোলার পর না চাইতেই নাজায়েয জিনিসের দিকে যে প্রথম নজরটি পড়ে যায়, সেটির ব্যাপারে আল্লাহর রাসূল ﷺ এর স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। হযরত জারীর ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন:
“আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে আকস্মিক দৃষ্টি (হঠাৎ চোখ পড়ে যাওয়া) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি আমাকে আমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিলেন।” (সহীহ মুসলিম, হাদীস: ২১৫৯)
হযরত আলী (রা.)-কে সম্বোধন করে নবীজী ﷺ বলেছিলেন:
“হে আলী! এক দৃষ্টির পর দ্বিতীয় দৃষ্টি নিবদ্ধ করো না। কারণ প্রথম দৃষ্টিটি তোমার জন্য ক্ষমার্হ, কিন্তু পরবর্তী দৃষ্টিটি তোমার জন্য জায়েয নয়।” (সুনানে আবূ দাউদ: ২১৪৯)
অ্যালগরিদমের কারণে সামনে আসা নাচ-গান বা অশ্লীলতা এড়িয়ে যাওয়া এবং দ্বীনি পরিবেশ তৈরি করার দলীল আল্লাহর এই বাণীতে রয়েছে:
“আর যখন তারা অনর্থক ও বাজে কথার সম্মুখীন হয়, তখন তা উপেক্ষা করে চলে এবং বলে—আমাদের আমল আমাদের জন্য এবং তোমাদের আমল তোমাদের জন্য…” (সূরা আল-কাসাস, আয়াত: ৫৫)
অন্য আয়াতে সফল মুমিনদের গুণাবলী সম্পর্কে বলা হয়েছে: “আর যারা অনর্থক ও অসার কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকে।” (সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত: ৩)
মিথ্যা ও গীবত: যাচাই না করে কোনো তথ্য বা গুজব শেয়ার করা, কারো নামে অপবাদ দেওয়া, গীবত (পরনিন্দা) করা বা ট্রল করার মাধ্যমে কাউকে অপমান করা।
সময় অপচয় ও ইবাদতে গাফিলতি: সোশ্যাল মিডিয়ার পেছনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এমনভাবে মগ্ন থাকা, যার কারণে ফরজ সালাত (নামাজ) ছুটে যায় বা দ্বীন ও দুনিয়ার দায়িত্ব অবহেলা করা হয়।
রিয়া বা লোকদেখানো মানসিকতা: নিজের ইবাদত, দান-সদকা বা নেক আমল মানুষের বাহবা পাওয়ার উদ্দেশ্যে প্রদর্শন করা।
❓সোশাল মিডিয়ায় আইডি খোলার পরপরই নারীদের নগ্ন ছবি, নাচ গান, অশ্লীল চিত্র চলে আসে। না চাইলেও এসব গুনায় লিপ্ত হতে হয়। তাহলে জায়েয হবে কিভাবে?
আপনার উদ্বেগটি অত্যন্ত যৌক্তিক এবং বাস্তবসম্মত। বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর অ্যালগরিদম এমনভাবে তৈরি, যা ব্যবহারকারীকে ধরে রাখার জন্য শুরুতেই এই ধরনের আকর্ষণীয় বা অশ্লীল কনটেন্ট সামনে নিয়ে আসে। না চাইতেও স্ক্রল করার সময় চোখের সামনে এগুলো চলে আসে এবং এটি ঈমান ও আমলের জন্য একটি বড় ফিতনা (পরীক্ষা)।
ইসলামের দৃষ্টিতে, “যে মাধ্যম বা পথ নিশ্চিত গুনাহের দিকে নিয়ে যায়, সেই মাধ্যম বর্জন করা ওয়াজিব।”
তাহলে এটি কীভাবে জায়েয হতে পারে? এর উত্তর হলো—সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট খোলার পর প্রথম যে ‘ডিফল্ট’ বা নোংরা পরিবেশ থাকে, তা বদলানো সম্ভব। যদি কেউ এই পরিবেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন এবং প্রতিনিয়ত গুনাহে লিপ্ত হতে বাধ্য হন, তবে তার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করা হারাম ও নাজায়েয হবে।
কিন্তু যদি কিছু কৌশল ও সতর্কতা অবলম্বন করে এই নোংরা কনটেন্টগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ বা ফিল্টার করা যায়, তবেই কেবল এটি ব্যবহার করা জায়েয হবে।
নিচে এই ফিতনা থেকে বাঁচার এবং আইডি খোলার পর পরিবেশ পবিত্র করার কিছু কার্যকর উপায় দেওয়া হলো:
১. ‘নট ইন্টারেস্টেড’ (Not Interested) করা:
ফেসবুক, ইউটিউব বা ইনস্টাগ্রামে কোনো খারাপ ছবি বা ভিডিও সামনে আসামাত্রই স্ক্রল করে চলে যান (সেখানে এক সেকেন্ডের জন্যও থামবেন না, কারণ থামলেই অ্যালগরিদম মনে করবে আপনি এটি পছন্দ করছেন)। এরপর সেই পোস্টের থ্রি-ডট (…) মেনুতে ক্লিক করে “Not Interested”, “Hide” বা “Report” করে দিন। ৫-১০ বার এমন করলে অ্যালগরিদম বুঝে যাবে আপনি এগুলো দেখতে চান না এবং তা আসা বন্ধ হয়ে যাবে।
২. সার্চ এবং ওয়াচ হিস্ট্রি নিয়ন্ত্রণ:
আইডি খোলার পরপরই দ্বীনি আলোচনা, ইসলামিক পেইজ, শিক্ষণীয় চ্যানেল বা ব্যবসার প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো লিখে সার্চ করুন। ওইসব পেইজে লাইক বা ফলো দিন এবং ভালো ভিডিওগুলো সম্পূর্ণ দেখুন। যখন আপনার ওয়াচ হিস্ট্রি (Watch History) ভালো জিনিসে ভরে যাবে, তখন অ্যালগরিদম নিজে থেকেই খারাপ জিনিসগুলো সরিয়ে শুধু ভালো কনটেন্ট আপনার সামনে আনবে।
৩. কন্টেন্ট ফিল্টার ও রেস্ট্রিকশন ব্যবহার করা:
প্রতিটি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপের সেটিংসে গিয়ে অশ্লীল কনটেন্ট রেস্ট্রিকশন করার ব্যবস্থা রয়েছে:
Facebook: Settings > News Feed > Reduce > Sensitive Content > এটি ‘Reduce More’ করে দিন।
YouTube: Settings > General > ‘Restricted Mode’ অন করে দিন। এতে অনাকাঙ্ক্ষিত ও সংবেদনশীল ভিডিও আসা অনেক কমে যাবে।
Instagram: Settings > Suggested Content > Sensitive Content > এটি ‘Less’ করে দিন।
৪. অ্যাড ব্লকার ও থার্ড-পার্টি এক্সটেনশন ব্যবহার:
ব্রাউজারে বা ফোনে এমন কিছু এক্সটেনশন বা থার্ড-পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করা যায়, যা সোশ্যাল মিডিয়ার রিলস (Reels) বা শর্টস (Shorts)—যা মূলত অশ্লীলতার মূল উৎস—তা সম্পূর্ণ হাইড বা বন্ধ করে দেয়।
★ ফিকহ ও উসূলে ফিকহের (ইসলামী আইনশাস্ত্র) নীতিমালা:
ইসলামী ফিকহের সুপরিচিত কিছু শাশ্বত মূলনীতির (القواعد الفقهية) আলোকে এই বিষয়ের সমাধান করা হয়:
ক. سد الذرائع (গুনাহের পথ বন্ধ করার নীতি)
ফেকাহশাস্ত্রের একটি অন্যতম প্রধান নীতি হলো—”যে হালাল কাজটি নিশ্চিত বা প্রবল ধারণামতে কোনো হারামের দিকে নিয়ে যায়, সেই হালাল কাজটিও নিষিদ্ধ হয়ে যায়।”
প্রয়োগ: সোশ্যাল মিডিয়া মূলত একটি মোবাহ (সাধারণ জায়েয) বিষয়। কিন্তু এটি ব্যবহার করতে গিয়ে যদি স্ক্রিনে আসা অশ্লীলতার কারণে কেউ প্রতিনিয়ত গুনাহে লিপ্ত হতে বাধ্য হয়, তবে এই নীতি অনুযায়ী তার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করা নাজায়েয ও হারাম হয়ে যাবে।
খ. درء المفاس مقدم على جلب المصالح (উপকার অর্জনের চেয়ে অপকার দূর করা অগ্রগণ্য)
প্রয়োগ: সোশ্যাল মিডিয়াতে দ্বীনি আলোচনা শোনা বা ব্যবসার মতো অনেক উপকার (مصالح) থাকতে পারে। কিন্তু এর বিপরীতে যদি চোখের গুনাহ ও ঈমান ধ্বংসের মতো অপকার বা ক্ষতি বেশি হয়, তবে ফিকহের নিয়ম অনুযায়ী উপকার অর্জনের আশা ছেড়ে দিয়ে আগে ক্ষতি তথা গুনাহ থেকে বাঁচা ওয়াজিব। অর্থাৎ, আইডি ডিলিট বা বর্জন করতে হবে।
গ. المشقة تجلب التيسير (কষ্টসাধ্যতা সহজীকরণকে আকর্ষণ করে):
প্রয়োগ: যেহেতু বর্তমান যুগে যোগাযোগ, ব্যবসা বা দ্বীন প্রচারের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া একটি অতি প্রয়োজনীয় মাধ্যমে পরিণত হয়েছে, তাই শুরুতেই এটিকে সম্পূর্ণ হারাম না বলে ফকীহগণ বলেন: নিজের সাধ্য অনুযায়ী সেটিংস পরিবর্তন করে, “নট ইন্টারেস্টেড” দিয়ে পরিবেশ পবিত্র করার চেষ্টা করতে হবে। কারণ ইসলাম মানুষের জন্য দ্বীন পালনকে সহজ করতে চায়। কিন্তু এই চেষ্টার পরেও যদি ফিতনা থেকে বাঁচা অসম্ভব হয়, তবে ‘বর্জন’ করার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
ফাতোয়ার সারাংশ:
ফাতোয়া শামী, ফাতোয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাতসহ আধুনিক ফিকহী বোর্ডগুলোর (যেমন: আন্তর্জাতিক ইসলামী ফিকহ একাডেমি) সিদ্ধান্ত হলো: সোশ্যাল মিডিয়া নিজে হারাম নয়, এর অপব্যবহার এবং এর ভেতরের নোংরা পরিবেশই একে হারাম করে। যিনি এই পরিবেশ ফিল্টার করে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন, তার জন্য এটি জায়েয; আর যিনি পারবেন না, তার জন্য এটি বর্জন করা আবশ্যক।
শরীআতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:
যদি কোনো ব্যক্তি উপরোক্ত চেষ্টাগুলো করার পরেও নিজের চোখ ও মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন এবং বারবার গুনাহের দিকে ধাবিত হন, তবে ইসলামের বিধান অনুযায়ী তার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টটি ডিলিট করে দেওয়া এবং এটি থেকে দূরে থাকা ওয়াজিব (আবশ্যক)। কারণ, ঈমান ও আমল রক্ষা করা যেকোনো দুনিয়াবী যোগাযোগের চেয়ে কোটি গুণ বেশি মূল্যবান।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
“আর যখন আপনি তাদেরকে দেখেন যারা আমার আয়াতসমূহে বিদ্রূপ বা মগ্ন থাকে, তখন আপনি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন, যতক্ষণ না তারা অন্য কথায় লিপ্ত হয়…” (সূরা আল-আনআম, আয়াত: ৬৮)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি সন্দেহজনক বিষয়াবলী থেকে বেঁচে থাকল, সে নিজের দ্বীন ও সম্মানকে পবিত্র রাখল।” (সহীহ বুখারী, হাদীস: ৫২)
……فقط. والله اعلم بالصواب …….
🖍️উত্তর লিখনে-
মুফতী রিয়াজুল ইসলাম হানাফী
মাদারীপুরী
👉🏿শরয়ী মাসয়ালার সামাধান জানতে যোগাযোগ করুন –
📱+8801339868000 (Whatsapp)
📧 contact.hanafifatawa@gmail.com

